SHARE

খুব চমৎকার পোস্ট নিয়ে আজ আমি আপনাদের সামনে আলোচনা করছি। আমরা সবাই চাই আমাদের ব্যবসাকে আরো লাভজনক করতে, যতটা সম্ভব উন্নয়ন করতে। সেজন্য আমরা বিভিন্ন রকম মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করি। মার্কেটিং এর জন্য একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ন সোশ্যাল সাইট হল টুইটার সেই টুইটারকে কাজে না লাগানোটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই বর্তমানে অনেকে টুইটারকে বেছে নিয়েছে মার্কেটিং করার অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে। এখন আপনারা নিচে দেখে নিন, কিভাবে টুইটারে বিভিন্ন রকম বিভিন্ন রকম মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করব…

১. ব্রান্ডকে তুলে ধরুনঃ

একটি টুইটার একাউন্ট মানে কোটি মানুষের কমিনিউটিতে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ। তাই এই সুযোগকে ব্যবহার করে নিজের ব্যবসায়ের প্রচারের কাজে ব্যবহার করুন। বর্তমান সময়ে ব্রান্ড জনপ্রিয় করা অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ন। টুইটারের মাধ্যমে এই কোটি কোটি মানুষের মাঝে আপনার ব্রান্ডকে তুলে ধরতে পারবেন। যদি লোকাল মার্কেট এর কথা ভাবেন, সংখ্যাটা কোটি না হলেও কিন্তু একদম কম নয়, তাই ছেড়ে দেয়া ঠিক হবে না।
ব্রান্ডকে তুলে ধরতে আপনার টুইটার একাউন্টের নাম, প্রোফাইল ফটো সব কিছুই ব্যবসায়ের অনুসারে তৈরি করুন। যদি ব্যক্তিগত ব্যান্ড প্রচার করতে চান তাহলে কাজের সাথে মিল রেখে টুইটার একাউন্ট তৈরি করুন।

২. ভিত্তি মজবুত করুনঃ

টুইটার একাউন্ট একটি ব্যবসায়ের মার্কেটিং এর ভিত্তির মত কাজ করে। আপনি এটাকে নিয়ে যত ভালো ভাবে কাজ করবেন তত মার্কেটিং মজবুত হবে। সেজন্য টুইটার প্রোফাইলের সকল ফিচার খুব সন্দর ভাবে পুরণ করুন। আপনাকে কোথায় পাওয়া যাবে, আপনি কোন কোন বিষয় গুলোর সাথে সম্পর্কিত, কোন কোন সার্ভিস সরবরাহ করেন, ওয়েব সাইটের লিঙ্ক ইত্যাদি। যাতে প্রতিটি ভিজিটর সকল প্রকার তথ্য পেতে পারে। আপনার একউন্টের সাথে যুক্ত থাকা তার প্রয়োজন মনে হয়। এর ফলে আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে, ফলোয়ার বৃদ্ধি পাবে এবং কাস্টমার বা গ্রাহকও বৃদ্ধিপাবে।

৩. ফলো করুনঃ

টুইটারে শুরুর দিকে বিভিন্ন একাউন্ট ফলো করবেন। এতে অনেকে আপনাকে চিনতে পারবে, জানতে পারবে। তবে ফলো করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। সেই সব একাউন্ট ফলো করুন যারা আপনার নিশের উপর বিখ্যাত ও সুপরিচিত। এছাড়া যাদের ফলো করলে আপনার মার্কেটিং হতে পারে শুধু তাদের ফলো করুন।

৪. সবার সাথে যোগাযোগ শুরু করুনঃ

টুইটারে প্রোফাইল পরিপূর্ন ভাবে তৈরি করার পর আপনার কাঙ্ক্ষিত কাস্টমার বা গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করা শুরু করুন। বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ করতে পারেন। টুইটারে যে কাউকে ৫ ভাবে মেসেজ দেওয়া যায়।

৫. স্মার্ট ভাবে যোগাযোগ করুনঃ

ফলোয়ারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বা নতুন ফলোয়ার তৈরি করার জন্য যখনই কারো সাথে যোগাযোগ করবেন স্মার্ট ভাবে যোগাযোগ করবেন। কোন সাধারণ টুইটার ব্যবহার কারীর মত নয় আবার স্পামিং মার্কেটারের মত নয়।
এক এক ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এক এক রকম হতে পারে। আপনাকে বের করতে হবে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার বা ফলোয়াররা কি চায়, তারা আপনার কাছ থেকে কোন ধরনের বিষয় গুলো জানতে চায় বা কি জানতে পারলে তাদের উপকার হবে। সেই বিষয় গুলো নিয়ে টুইটারে পোষ্ট করুন। যতটা কোয়ালিটি সম্পন্ন টুইট বা কন্টেন্ট পোষ্ট করতে পারবেন তত বেশি ফলোয়ার বৃদ্ধি পাবে।

৬. ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে ভিজিটর পাঠানঃ

সকল মার্কেটিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হল পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় করা। তাই মাঝে মাঝে ব্লগে বা ওয়েব সাইটের লিঙ্ক টুইট করার মাধ্যমে ভিজিটর পাঠান। যখনই কোন লিঙ্ক পোষ্ট করবেন ভালো কন্টেন্টের লিঙ্ক পোষ্ট করুন।

৭. ইমেজ টুইট করুনঃ

কন্টেন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করে যে কন্টেন্ট সেটি হলো ইমেজ। নিয়মিত ইমেজ টুইট করুন। ইমেজ টুইটের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইমেজ সম্পর্কিত কিছু উল্লেখ করুন। ইমেজ টুইট করার ক্ষেত্রে যেসব ইমেজ আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে সেই সকল ইমেজ টুইট করুন। হতে পারে পণ্যের ইমেজ, পণ্যের কার্যকারীতা সম্পর্কিত ইনফোগ্রাফিক্স, সার্ভিস প্রসেসের ইনফোগ্রাফিক্স ইত্যাদি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY